নবীদের দেহ মাটি খায় না ও হায়াতুন্নবীর আকিদা
عَنْ أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَيَّامِكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ قُبِضَ وَفِيهِ النَّفْخَةُ وَفِيهِ الصَّعْقَةُ فَأَكْثِرُوا عَلَىَّ مِنَ الصَّلَاةِ فِيهِ فَإِنَّ صَلَاتَكُمْ مَعْرُوضَةٌ عَلَىَّ " . قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ وَكَيْفَ تُعْرَضُ صَلَاتُنَا عَلَيْكَ وَقَدْ أَرِمْتَ يَقُولُونَ بَلِيتَ . فَقَالَ " إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ حَرَّمَ عَلَى الأَرْضِ أَجْسَادَ الأَنْبِيَاءِ
৫৩. আওস ইবনে আওস রা. সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমুআর দিন। এ দিন আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিলো, এদিনই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিলো, এদিন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং এদিনই বিকট শব্দ করা হবে। কাজেই এদিন তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়। আওস ইবনে আওস রা. বলেন, লোকজন প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসুল! কি করে আমাদের দরূদ আপনার নিকট পেশ করা হবে? আপনি তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। বর্ণনাকারী আওস ইবনে আওস রা. বলেন, লোকেরা বুঝাতে চাচ্ছিল আপনার শরীর তো জরাজীর্ণ হয়ে মিশে যাবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ মাটির জন্য নবী-রাসুলগণের দেহকে হারাম করে দিয়েছেন। [সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ১০৪৭, ১৫৩১; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং- ১০৮৫, ১৬৩৬; সুনানে দারেমী, হাদিস নং- ১৫৭২; সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং- ১৩৭৪]
৫৩. আওস ইবনে আওস রা. সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমুআর দিন। এ দিন আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিলো, এদিনই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিলো, এদিন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং এদিনই বিকট শব্দ করা হবে। কাজেই এদিন তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়। আওস ইবনে আওস রা. বলেন, লোকজন প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসুল! কি করে আমাদের দরূদ আপনার নিকট পেশ করা হবে? আপনি তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। বর্ণনাকারী আওস ইবনে আওস রা. বলেন, লোকেরা বুঝাতে চাচ্ছিল আপনার শরীর তো জরাজীর্ণ হয়ে মিশে যাবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ মাটির জন্য নবী-রাসুলগণের দেহকে হারাম করে দিয়েছেন। [সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ১০৪৭, ১৫৩১; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং- ১০৮৫, ১৬৩৬; সুনানে দারেমী, হাদিস নং- ১৫৭২; সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং- ১৩৭৪]
ব্যাখ্যা : উপরের হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, আমাদের নবীসহ সকল নবীই কবরে জীবিত আছেন। তবে ওই জীবন দুনিয়ার জীবনের মতো না। আলমে বরযখ। ওই জগতের ও জীবনের প্রকৃত ¯^রূপ একমাত্র আল্লাহ তাআলা জানেন। কিন্তু তার মানে এই না যে, নবীদের মৃত্যু হয়নি। তাঁরাও মানুষ, তাঁরাও মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুবরণ না করলে তাদেরকে কবরস্থ করার কী দরকার ছিল?! সুতরাং হায়াতুন্নবী নামের আকিদার মধ্যে শাব্দিক মতানৈক্য ছাড়া বাস্তবে কোনো মতানৈক্য আছে বলে আমাদের মনে হয় না।
.
বিষয়ভিত্তিক হাদিস হতে চয়নকৃত
.
বিষয়ভিত্তিক হাদিস হতে চয়নকৃত



0 Comments